ফেসবুক স্টিকার কমেন্ট কি আইডি বাাচাতে পারে ?
ফেসবুক আইডি নিয়ে আতংকের কোন শেষ নেই। আপনার সামান্য অসাবধানতার কারনে যে কোন মুহুর্তে হ্যাক হতে পারে আপনার ফেসবুক।
ফেসবুকে স্টিকার কমেন্ট কি আইডি বাঁচাতে পারে ? এর বিষয়ে বাংলাদেশের সনামধন্য পত্রিকা যুগান্তর এক বিবৃতিতে যানিয়েছে যে, স্টিকার কমেন্ট করে কখনো আইডি হ্যাকের হাত থেকে বাঁচানো যায় না। স্টিকার কমেন্ট করে সুধুমাত্র ফেসবুকে সংযোগ বাড়াতে পারে।
কথা বলছিলাম এক ব্যাক্তিরে সাথে । সে তার ফেসবুক প্রফাইলে লিখেছে : স্টিকার কমেন্ট প্লিজ আইডি যুকির ভিতর আছে! তাকে জিজ্ঞেসা করছিলাম যে, ছোট ভাই তোমার ফেসবুক আইডিতে কি সমস্যা হয়েছে ? সে বলল কেন ভাইয়া একথা জিজ্ঞাস করলেন কেন? অনেক ক্ষন কথা বলার পর সে বললো যে, আইডিতে লাইক কমেন্ট বাড়ানোর জন্য দিয়েছি অন্য কিছু না।
বাংলাদেশে ফেসবুক নিয়ে কাজ করে ইউল্যাবের একটি টিম ফ্যাক্ট ওয়াচের উপদেষ্টা অধ্যাপক সুমন রহমান বলেন, আমরাও খেয়াল করেছি, কিছুদিন পরে পরে এ রকম স্ট্যাটাস দেয়ার ঘটনা ঘটছে। যারা এসব লিখছেন, তারা খুব ফেসবুক সেলিব্রেটিও নন। কিন্তু আইডি হ্যাকিং থেকে বাঁচাতে বা আইডির ঝুঁকি বাঁচাতে যেসব লেখা হচ্ছে। তার সঙ্গে ফেসবুকের কাজের আসলে কোন সম্পর্ক নেই। কারণ ফেসবুক এভাবে কাজ করে না। তিনি ব্যাখ্যা করেন, কেউ যদি কারো ফেসবুক আইডি হ্যাক করতে চায়, তাহলে সেটার সঙ্গে এভাবে স্ট্যাটাসে মন্তব্য করা না করার সঙ্গে সম্পর্ক নেই। তিনি নানা কৌশলে সে চেষ্টা করবে। আবার ফেসবুকে রিপোর্ট করার কারণে কারো আইডি যদি ফেসবুক ব্লুক করে দিতে চায়, সেজন্য নিয়ম অনুযায়ী নোটিশ পাঠাবে, তারপর ব্যবস্থা নেবে। সেটা ফিরিয়ে আনারও নানা পদ্ধতি আছে। সুতরাং কমেন্ট করে সেক্ষেত্রে প্রভাবিত করার কোনো ব্যাপার নেই। সহজে জনপ্রিয়তা অর্জন বা নিজের প্রোফাইলে লাইক/কমেন্ট বাড়াতে অনেকে এ ধরণের কাজ করতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন। কারণ যারা এ ধরণের স্ট্যাটাস দিয়েছেন, তারা কেউই ফেসবুকে খুব পরিচিত নন। ফেসবুক আইডি নিরাপদ রাখতে ফেসবুকের পাতায় বেশ কিছু পরামর্শ রয়েছে। তার মধ্যে টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন চালু করতে বলা হয়। এর মাধ্যমে ফেসবুকে প্রবেশ করতে হলে দুইটি মাধ্যম ব্যবহার করতে হবে। এর মধ্যে যেমন প্রচলিত পাসওয়ার্ড দিতে হবে, তেমনি মোবাইলের ম্যাসেজে আসা কোড বা অথেনটিকেটর থেকে পাওয়া কোড প্রবেশ করিয়ে নিশ্চিত করতে হবে। এর মাধ্যমে ফেসবুক আইডির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব বলে জানিয়েছে ফেসবুক। সূত্র: ভোরের কাগজ ও বিবিসি বাংলা।
তথ্য সংগ্রহেঃ
মোঃ খলিলুর রহমান
প্রতিষ্ঠাতা পরিচালঃ আই সি টি কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার।

0 মন্তব্যসমূহ